বিজ্ঞাপন

সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ইতোমধ্যে আদালত মামলার তদন্তের স্বার্থে কারাগারে থাকা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

আবেদনে বলা হয়, ফারজানা রুপা বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে আছেন। সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার সময়ে এটিএন বাংলা টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার নিহত রুনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠতা ও যাতায়াত ছিল। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি টেলিভিশনে রিপোর্ট করেন মর্মে জানা যায়।

ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এটি বহুল আলোচিত হত্যা মামলা। মামলাটি হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক টাস্কফোর্স গঠন পূর্বক বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের করা প্রয়োজন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর ও রুনি। ঘটনার সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ। সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা আর রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের আলম। মামলার আসামিরা হলেনরফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির ২ নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছে। বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১১৭ বার বাড়ল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন