পরিবেশগত বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একই সঙ্গে সেটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২০ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় বিশেষ বিবেচনায় অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে ‘সাতক্ষীরা জেলাকে এ ক্যাটাগরির’ জেলায় উন্নীত করা হলো।
এ ক্যাটাগরির প্রাপ্যতা অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জনবল ও অন্যান্য সুবিধাদি-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
নিকারে এ প্রস্তাব অনুমোদনের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, সাতক্ষীরাতে সুন্দরবন আছে। এখন সাতক্ষীরার সঙ্গে ভোমরা বন্দর খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বন্দর হিসেবে সংযুক্ত হয়েছে। ফলে সাতক্ষীরা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ জেলা হয়ে উঠেছে। সার্বিক বিবেচনায় সাতক্ষীরা ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলা হিসাবে অনুমোদিত হয়।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ৬ আগস্ট জেলার শ্রেণি হালনাগাদ করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮ বা এর বেশি উপজেলা থাকা জেলাকে ‘এ’, ৫ থেকে সাতটি উপজেলা থাকা জেলাকে ‘বি’ এবং পাঁচটির কম উপজেলা থাকা জেলাকে ‘সি’ শ্রেণির উপজেলার মর্যাদা দেওয়া হয়। আর অবস্থানগত কারণে বেশি গুরুত্ববহ জেলাকে ‘বিশেষ ক্যাটাগরি’র অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শ্রেণি অনুযায়ী সরকার এসব জেলায় সরকারি দফতরগুলোতে জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। এ ছাড়া জেলাগুলোতে উন্নয়ন পরিকল্পনা নেয়া ও ত্রাণ বরাদ্দও করা হয় এই শ্রেণি বা ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে।
ওই সময় হালনাগাদের পর ‘বিশেষ ক্যাটাগরি’র ৬টি জেলা, ২৬টি ‘এ’ ও ২৬টি ‘বি’ এবং ৬টি ‘সি’ শ্রেণির জেলা রয়েছে। এখন সাতক্ষীরা ‘বি’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হওয়ায় ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলা ২৭টি এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির জেলা হয়েছে ২৫টি।
পড়ুন: জাতীয় নির্বাচনের সব তথ্য মিলবে টিকটকের অ্যাপে
দেখুন: টেকনাফে রোহিঙ্গাদের স*ন্ত্রাসে চরম আতঙ্কে স্থানীয়রা
ইম/


