গল টেস্টের চতুর্থ দিনটা ভালোই কাটলো বাংলাদেশের। বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখালো লাল সবুজরা। যদিও ভালো খেলতে থাকা সাদমান ইসলামের আউট কিছুটা হতাশ করেছে। তবে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য জুটিতে দিনশেষে বড় লিড তুলে নেওয়ার পথে রয়েছে লাল সবুজরা।
শুক্রবার (২০ জুন) গল টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭৭ রান। সাদমান ৭৬ রানে আউট হলেও ৫৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন অধিনায়ক শান্ত। তার সঙ্গী মুশফিক অপরাজিত রয়েছেন ২২ রানে। প্রথম ইনিংস শেষে ১০ রানের লিড ছিল টাইগারদের। সব মিলিয়ে লিড বেড়ে দাঁড়াল ১৮৭ রানে।
স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস ৪৮৫ রানে থামায় ১০ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪৯৫ রান করে। কামিন্দু আউট হয়েছেন সেঞ্চুরি মিসের হতাশা নিয়ে। নাঈমের টার্ন ও বাউন্সে ধোঁকা খেয়েছেন তিনি। ফলে ৮৭ রানে থাকাবস্থায় তার ব্যাট ছুঁয়ে বল লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে।
টেস্টে ২৫ বছর বয়সী স্পিনার নাঈমের সেরা বোলিং ফিগার ১০৫/৬। ২০২২ সালের সেই চট্টগ্রাম টেস্টেও প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাওয়া ফাইফার দুটি ছিল দেশের মাটিতে। অর্থাৎ, এবারই প্রথম বিদেশের মাটিতে লাল বলে ৫ উইকেট নিলেন নাঈম। অবশ্য দেশের বাইরে তার সেভাবে একাদশে সুযোগও মেলে কম। গতকাল কেবল দীনেশ চান্দিমালকে আউট করা এই স্পিনার আজ একে একে ফেরান কামিন্দু, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, থারিন্দু রত্ননায়েকে ও আসিথা ফার্নান্দোকে।
এর আগে জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪৯৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কা তৃতীয় দিন রান তুলেছে প্রায় ৪ গড়ে। সফরকারী বোলারদের হতাশ করে দিন শেষে তাদের স্কোরবোর্ড ছিল– ৩৬৮/৪। এরপর চতুর্থ দিনে খেলতে নেমে মাত্র ১৮ রানের ব্যবধানেই ২ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। দুই ব্যাটারই আউট হয়েছেন স্ব-প্রণোদিত হয়ে। ধনাঞ্জয়া নাঈম হাসানের ডেলিভারি লেগ স্টাম্পের প্রায় বাইরে দিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট লাগিয়ে ১৯ রানে ফেরেন। ফলে তার সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি ভাঙে কামিন্দুর।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

