২৯/০১/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
২৯/০১/২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক

একদিকে মেয়ের বিয়ের আয়োজন থমকে যাওয়া অসহায় মা, অন্যদিকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে শয্যাশায়ী দিনমজুর—ভিন্ন দুটি গল্প হলেও মিল এক জায়গায়। চরম সংকটে থাকা এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন সারাদেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিজ্ঞাপন


চান্দগাঁও থানার সিএন্ডবি এলাকার বাসিন্দা নাছিমা বেগম নিজে অসুস্থ। তাঁর স্বামী আবুল কালাম প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী। চার মেয়ের মধ্যে তিনজনের বিয়ে কোনোভাবে সম্পন্ন হলেও ছোট মেয়ের বিয়ের খরচ জোগাড় করতে গিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন তিনি।

সারাদেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে এককালীন আর্থিক সহায়তা দেন। সহায়তা পেয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজনের সাহস ফিরে পান নাসিমা বেগম।


নাছিমা বেগম বলেন, মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক হলেও টাকার অভাবে সব থেমে যাচ্ছিল। ডিসি স্যারের সাহায্য না পেলে কী করতাম জানি না।”
অন্যদিকে সাতকানিয়ার মৈশামুড়া এলাকার দিনমজুর মোহাম্মদ ফরিদ হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়েছেন। একসময় কাজ করে চার সন্তানের সংসার চালালেও ২০২৩ সালের পর থেকে তিনি সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী। ধার-দেনার ওপর ভর করে চলছিল চিকিৎসা।


ফরিদের স্ত্রী খালেদা বেগম বলেন, “আমার স্বামী কিছুই করতে পারে না। সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ছিলাম। জেলা প্রশাসক স্যারের সহায়তাই এখন আমাদের বাঁচার ভরসা।”


ফরিদের মেয়ে ইসরাত আরা বলেন, “আব্বার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল। স্যারের সাহায্যে আমরা আবার আশা পেলাম। ডিসি স্যার আসলেই একজন মানবিক ডিসি।”


জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আজ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এমন একাধিক অসহায় মানুষ এবং চট্টগ্রামের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সামাজিক সংগঠনের পাশে দাঁড়িয়েছেন।


ব্যস্ততার মাঝেও মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো—এই মানবিক উদ্যোগই চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসককে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে বলে মত প্রকাশ করেছেন সহায়তা প্রাপ্ত নাগরিকরা।

পড়ুন: ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু আজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন