ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, হাসপাতালে সিন্ডিকেট গঠন এবং টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অনুসন্ধানে নেমে সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, হলফনামায় বিপুল সম্পদের অসংগতি পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান টিম। দুদকের ঠাকুরগাঁও অফিসে অনুসন্ধান কাজ চলমান রয়েছে বলে শনিবার (৩ মে) সংস্থাটির একজন মহাপরিচালক ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রমেশ চন্দ্র সেনের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তারা তথ্য সংগ্রহ করছে। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় দেখা গেছে, তার নগদ টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ১০ লাখ এক হাজার ৪৯৭ টাকা, যেখানে ২০১৪ সালে তা ছিল মাত্র ৩২ লাখ টাকা। এ ছাড়া তার স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণও কয়েকগুণ বেড়েছে বলে জানা গেছে। সম্পদের বিবরণে নানা অসংগতি দেখা গেছে। যেমন ২০১৪ সালের হলফনামায় কোনো আবাসিক বা বাণিজ্যিক দালান দেখানো না হলেও ২০১৮ সালে তিনি উত্তরায় পাঁচটি ফ্ল্যাট দেখান, যার মূল্য ৬১ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের হলফনামায় তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় একটি বাড়ি এবং উত্তরায় একটি ৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত দোতলা বাণিজ্যিক ভবনের কথা উল্লেখ করেন, যার নির্মাণ খরচ দেখানো হয়েছে মাত্র ৬০ লাখ টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, এসব সম্পদের অধিকাংশই নামে-বেনামে অর্জিত এবং প্রকৃত মূল্য কোটি কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
পড়ুন : দুদকের নজরে এসেছে ২ উপদেষ্টার সহকারীদের দুর্নীতি, চলছে অনুসন্ধান


