সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে ১৩ টাকা ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ২৯ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন এই মূল্য ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
আজ রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সমন্বিত দাম ঘোষণা করা হয়। এ সময়ে বিইআরসির সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহীদ সারওয়ার এবং সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৬ অক্টোবরের গণশুনানিতে পেট্রোবাংলা এবং গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো গ্যাসের দাম ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। পরে বিইআরসির কারিগরি কমিটি প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা করার সুপারিশ করে।
পেট্রোবাংলার প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, দাম বাড়ানো হলে অতিরিক্ত ৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করে সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে। অক্টোবর থেকে মার্চ—এই ছয় মাস প্রতিদিন ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে পূর্ণমাত্রায় গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি ছয় মাসে সরবরাহ হবে—এপ্রিল–মে ১৬৫ মিলিয়ন, জুনে ১৭৫ মিলিয়ন এবং জুলাই–সেপ্টেম্বরে ১৩০ মিলিয়ন ঘনফুট করে।
বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের উৎপাদন খরচ পড়ছে প্রায় ৩৮ টাকা, যেখানে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৭ টাকায়। বিসিআইসি ডিলারদের কাছে সারের দাম নির্ধারণ করেছে ২৫ টাকা, ফলে প্রতি কেজিতে প্রায় ১৩ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।
পড়ুন: প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের রায় ২৭ নভেম্বর
আর/


