বিজ্ঞাপন

সালমান শাহ হত্যা মামলা : সামিরার পর এবার মা লুসির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁর স্ত্রী সামিরা হকের মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসির (৭১) দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। লুসি এই মামলার এজাহারনামীয় তিন নম্বর আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এর আগে গত ২৭ অক্টোবর আদালত সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক এবং খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে এই মামলায় মোট তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, সামীরার মা লতিফা হক লুসি, খলনায়ক আশরাফুল হক ডন, ডেবিড, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেছেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যরা সালমানের বাসায় গিয়ে শয়নকক্ষে তার নিথর দেহ দেখতে পান। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আগে সালমান শাহর বাবা ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে আদালতে দরখাস্ত দাখিল করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সামিরাকে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি করাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন সালমান শাহ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন