সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যুতে সৎকারের সময় মহাশ্মশানের নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দিয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই ঘটনাটি ঘটেছে।
দীর্ঘদিন ধরে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃতদের সৎকার করা হয়ে আসছে। সম্প্রতি মহাশ্মশানের নাম পরিবর্তন করে এটি “ঘোষগাতি মহাশ্মশান” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ঝিকিড়া মহল্লার গনেষ বনিকের স্ত্রী মিনা বনিকের মরদেহ সৎকার করতে গেলে মহাশ্মশানের চাবি সংরক্ষণকারী বাবলু ভৌমিক চাবি দিতে অস্বীকার করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মৃতার স্বজন ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা মরদেহ নিয়ে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
মৃতা মিনা বনিকের ছেলে সন্তোষ বনিক বলেন, “আমার মা ৪ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে মারা গেছেন। উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করার জন্য মাইকিং করা হয়েছিল। কিন্তু চাবি না দেওয়ায় আমরা উপজেলা প্রাঙ্গণে আসতে বাধ্য হই। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে চাবি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু ভৌমিক জানান, “উল্লাপাড়া নামে কোনো মহাশ্মশান নেই। তাই আমি চাবি দেয়নি। তারা ঘোষগাতি মহাশ্মশান বলে মাইকিং করলেও তা মানেনি।
উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ টি এম আরিফ বলেন, “হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা নারীর পরিবারের কাছে চাবি চাওয়ার পর প্রথমে তা দেওয়া হয়নি। পরে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে চাবি প্রদান করা হয়েছে।
পড়ুন: নাজিরপুরে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ মাছ হত্যার অভিযোগ
দেখুন: ভ্যাট আইন প্রবর্তন ব্যবসাকে অনেক সহজ করেছে
ইম/


