সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) গভীর রাতে নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।নিহত যুবকের নাম মো. আলমগীর (৩০)। তিনি ওই গ্রামের মো. আবু বকরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে পরিবারের সবাই রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে পাশের বাড়ির একটি শিশু নিহতের শিশুকে মক্তবে নেওয়ার জন্য ডাকতে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখে চিৎকার দেয়। পরে দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখা যায়, ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন আলমগীর। চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘটনাটি দেখে হতবাক হয়ে যায়। খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
তাহিরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) পংকজ দাস বলেন “ঘটনাস্থল দেখে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।”
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার রাতে আলমগীরের স্ত্রীর সঙ্গে দুই দফা ঝগড়া হয়। পরে স্ত্রী রাগ করে স্বামীর বোনের বাড়িতে চলে যান। এরপর ঘরে একা অবস্থায় আলমগীর পুরাতন লুঙ্গি দিয়ে আড়ার সঙ্গে ফাঁস দেন বলে পরিবারের দাবি।
তবে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা। তাদের অভিযোগ, অবৈধ চালান (চোরাচালান) সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই আলমগীরকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন নাগরিক টেলিভিশন’কে জানান ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়ছে প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন: সিলেটের রেলপথে অবস্থান নিয়েছেন অবরোধকারীরা, যাত্রীদের ভোগান্তি
দেখুন: পশ্চিমা বিশ্বের দেশে দেশে হ্যালোইন উৎসব পালন
ইম/


