আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ভোটারদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৫ জানুয়ারী সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেট সংলগ্ন এম্বোশিয়া হোটেলে শহরে বসবাসরত শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলার ভোটারদের অংশগ্রহণে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরেশ ভদ্র চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এবং অনন্ত কুমার দাসের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঝুলন কান্তি চৌধুরী, শম্ভু নাথ চন্দ, রাখেশ দাস, মোঃ ছমির আহমদ, রেশ চন্দ্র চক্রবর্তী, রঞ্জিত কুমার দাস, মনোরঞ্জন দাস, অরজিত চৌধুরী, সবিতা সূত্রধর, মোঃ রকি মিয়া, মোঃ নুরুজ্জামান, উত্তম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটারবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লন্ডন প্রবাসী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন,
“আমি দীর্ঘদিন জাতীয়তাবাদী আদর্শে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছি। তবে শেষ পর্যন্ত আমি দলের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছি।”
তিনি বলেন,“আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও উৎসাহেই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও কালভার্টসহ নানাবিধ অবকাঠামোগত সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে রয়েছে।”
ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন আরও বলেন,
“সুনামগঞ্জ জেলা সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ববোধ রয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মও সমুন্নত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,
“ভোটারদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে নির্বাচিত হয়ে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সকলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একযোগে কাজ করতে চাই। ইতোমধ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, যেখানে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে জনগণের রায়ে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হব বলে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।
পড়ুন- জন্ম থেকেই নেই পায়ুপথ, প্রতিটি নিঃশ্বাসে বাঁচার যুদ্ধ শিশু ওমরের


