বিজ্ঞাপন

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হ/ত্যা চেষ্টা মা/ম/লায় সিলেটের আদালতে আরিফ, বাবর ও গউছ

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ওপর গ্রেনেড হামলার ২০০৪ সালের আলোচিত হত্যা চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ, হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ।

বিজ্ঞাপন

আদালতে হাজির হয়ে তারা শুনানিতে অংশ নেন। এর আগে তিনজনই বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছান।

মামলার আসামী পক্ষের আইনজীবী এটিএম ফয়েজ জানান ২০০৪ সালে ২১ জুন দুপুরে দিরাই বাজারে একটি সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। এ বোমা হামলায় এক জন নিহত ও ২৯ জন আহত হয়।

তিনি জানান, এই মামলায় আজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে ৩৪২ ধারায় আসামী পরীক্ষা দেন তারা। এসময় নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন আসামীরা। পরবর্তিতে আদালত ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারন করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সে সময় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হামলায় যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরও ২৯ জন আহত হন। অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ঘটনাটির পর দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে দীর্ঘ তদন্ত ও শুনানির ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।

এর আগে মামলার বিভিন্ন ধাপে সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ ও অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

পড়ুন- জামায়াতসহ ১১ দলের বিক্ষোভসহ ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

দেখুন- সংসদে পাস হলো হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন