২৭/০২/২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
30.4 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সেচপাম্প নিয়ে দ্বন্ধে ভাই-ভাতিজার মারধরে নেত্রকোনায় আ.লীগ নেতা নিহত

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় জমি ও সেচপাম্প নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাই-ভাতিজার মারধরে কায়সার ইমরান বাবুল (৫৯) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই রতনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

নিহত বাবুল স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার জন্য থানায় অবস্থান করছেন।

সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে আটপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এরআগে গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দুওজ ইউনিয়নের শ্রীরামপাশা গ্রামে ভাই-ভাতিজার হাতে পারিবারিক সালিশ বৈঠকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাবুলের সঙ্গে তার ছোট ভাই রতন এবং ভাতিজাদের সঙ্গে একটি যৌথ সেচপাম্প ও জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেচপাম্প থেকে বাবুল তার প্রাপ্য আয় পেতেন না। এমনকি তার জমিতে ঠিকমতো পানি দেওয়া হতো না। এনিয়ে প্রায়ই স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

ঘটনার দিন রাতে এশার নামাজের সময় পারিবারিক আলোচনার একপর্যায়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে রতন ও ভাতিজা বাপ্পি বাবুলের ওপর হামলা চালান ও তাকে মারধর করেন। এতে তিনি নিজ ঘরে গিয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

আটপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহতের মাথায় আঘাতের ফলে সৃষ্ট ফোলা চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবদেন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন মামলা করার জন্য এখন থানায় অবস্থান করছেন। মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে।

পড়ুন: যেভাবে লাগলো বনানীর এফ আর টাওয়ারের আগুন

দেখুন: যেভাবে লাগলো বনানীর এফ আর টাওয়ারের আগুন

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন