বিজ্ঞাপন

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দ্বাদশ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড-এর দ্বাদশ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মালিবাগে কোম্পানির সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মাকছুমা আকতার বানু (যুগ্ম সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়), পরিচালনা পর্ষদের স্বতন্ত্র পরিচালক জাফর ইকবাল, পর্যবেক্ষক মো. শাহ আলম, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ফজলুতুন নেসা, মোস্তফা কামরুস সোবহান, রিপ্রেজেন্টেটিভ ডিরেক্টর অব রুপালী ইন্স্যুরেন্স কো. লিমিটেড ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, স্পন্সর পরিচালক শেখ মো. ড্যানিয়েল, ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর মোর্শেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হাসিব রেজা, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আব্দুর রব এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার সভায় যোগ দেন। সভাটি উপস্থাপনা করেন কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আব্দুর রব। 

বিজ্ঞাপন

সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডাররা কয়েকটি বিষয় আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেন:

১. ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীসহ পরিচালনা পর্ষদ ও নিরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুমোদন।

২. ২০২৪ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের অনুকূলে ১৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন।

৩. ২০২৫ সালের জন্য কোম্পানির আইনগত নিরীক্ষক নিয়োগ।

৪. ২০২৫ সালের জন্য কোম্পানির পরিপালন নিরীক্ষক নিয়োগ।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি তাদের অব্যাহত আস্থা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং কোম্পানির আর্থিক শৃঙ্খলা, নিয়ন্ত্রক পরিপালন ও কর্পোরেট সুশাসন বজায় রাখার বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। 

সভা শেষে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

পড়ুন: শচীনের যে রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি

দেখুন: বিমানবন্দর থেকে সমাবেশস্থলের পথে তারেক রহমান 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন