২৩/০২/২০২৬, ০:৫০ পূর্বাহ্ণ
22.9 C
Dhaka
২৩/০২/২০২৬, ০:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

স্মরণে- বলিষ্ঠ এক দেশপ্রেমিকের সেই অঙ্গীকার

“আমাদের সরকার, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও রাষ্ট্রদহী কার্যকলাপ কঠোর হস্তে দমন করবে” – ১৯৭৭ সালে এক যুগান্তকারী ভাষণের উক্তি। প্রয়াত সেই যোদ্ধার মরণ জয়ী ধারে জেগে উঠেছিল বাংলাদেশ। প্রশান্তি আর উন্নয়নের দিগন্ত যেনো উকি দিচ্ছিল বাংলায় আকাশে।একাধারে মুক্তিযোদ্ধা, সেনা প্রধান, রাষ্ট্রপতি ও দেশপ্রেমিক এই বিরল প্রতিভার মিশ্রণ বাংলার ইতিহাসে বিরল। অভাগা জাতি ১৯৮১ সালে হারালো সেই ভালোবাসার রাজপুরুষকে যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। সময়ের আবর্তনে, রাজনীতির বিরোধে, ইতিহাস পরিবর্তনে ও সকল দেশ প্রেমিকের ত্যাগের মহিমাকে নির্লজ্জ ভাবে অস্বিকার করে আজ এক বিভ্রান্তির পথে দেশ। হারিয়ে সকল মর্যাদা আর শক্তির অতীত। কুব কাছ থেকে দেখা সেই মানুষটিকে আজ স্মরণ করি – প্রয়াত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান- বীর উত্তম।

বিজ্ঞাপন

১৯৭৭ উত্তর বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকারের উদৃতি –
“আমরা সকলকে একত্রিত হতে হবে, একমাত্র ঐক্যেই রয়েছে শক্তি।”

বিরল সেই প্রাণের বেক্তিগত শৃঙ্খলা, পারিবারিক নিয়মনীতি, সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সকল কিছুই পরবর্তী প্রজন্মের কাছে আজ অনুপস্থিত। নির্লজ্জ ও নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকশের শিকার সেই আলোকিত অতীত।

দেশের অগ্রগতিতে সুশাসনের লক্ষ্যে, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে, কৃষি ও কৃষকের জীবনের ম্যান উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, প্রাকৃতিক রসদের সটিক প্রয়োগ, স্বনির্ভর গ্রাম অঞ্চল ও সাবলম্বী অর্থনীতির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। প্রতিদিনের বাংলাদেশ এক নিয়মতন্ত্রের অধীনে অগ্রসর হচ্ছিল।
আন্তর্জাতিক অঙ্গন যেন এক নূতন বাংলাদেশের সমৃদিতে বিষ্ময় প্রকাশ করছিল।
সাধারণ জীবন যাপনের সেই পিতা প্রতিনিয়ত দেশের প্রতন্ত অঞ্চলে নিজের পদচরনা অঙ্কিত করেছিলো। আমার দেখা এক অসাধারণ মানুষ যার দিনের অগ্রযাত্রা এক সাধারণ মানুষের মতো – রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সীমিত গাড়ির বহর, সীমিত খরচের নিরাপত্তা প্রমাণ করে সেই মানুষের জনপ্রিয়তা কারণ জনগণই ছিলো তার শক্তি আর ভালোবাসা।
ক্ষমতার অধিখারে যারা দেশ শাসন করেছেন তাদের পতন হয়েছে অনিবার্য। তারা নিজেদের সম্ব্রান্ত ইতিহাসকে করেছেন কুলোষিত।

আজ এই সন্দিক্ষণে সেই হারিয়ে যাওয়া প্রাণের শিক্ষার আলোকে দেশ অগ্রসর হবে বলে আশাতে বুক বেঁধে রাখছি।

কৃষির উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ও আধুনিকীকরণ, পোশাকশিল্প ও উল্লেখযোগ্য রপ্তানি শিল্পের জন্য নীতি বান্ধব কর, নিরাপত্তা ও পরিবেশ, বহির্বিশ্বের সাতে পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও মূল্যস্ফটি রোধে ব্যাঙ্কিং কার্যবিধির সংস্কার, মন্ধ ঋণ হ্রাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদার নীতি প্রণয়ন, জনজীবনের নিরাপত্তা নিশিত করণ, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি। ৫৪ বছরের স্বাধীনতা আজ অপূর্ণ।
আমি বিশ্বাস করি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ও তার অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আগামী নেতৃত্ব তাঁদের প্রজ্ঞা ও দক্ষতার মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের মানুষ আবার ও সেই হারানো প্রশান্তি খুঁজে পাবে ইনশাআল্লাহ।

লেখক : তারিক আফজাল, অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকার

পড়ুন- গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

দেখুন- জয়-পলকের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে যা জানালো প্রসিকিউশন 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন