বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকদেরকে ই-মেইলের মাধ্যমে ওষুধের কথা জানাতে পারবেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা আর সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন না। চিকিৎসকদেরকে ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের ওষুধের কথা জানাতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে গঠিত সংস্কার কমিশনের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এমন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ (সোমবার) বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ প্রতিবেদন পেশ করেছে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন।

স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেছেন, স্বাধীন ও স্থায়ী ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন’ গঠনসহ ৭টি আইন সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ মে) দুপুর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোগীর সুরক্ষা, আর্থিক বরাদ্দ ও ধারাবাহিকতা, জবাবদিহিতা ও জরুরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করার জন্য সব সংশ্লিষ্ট পুরাতন আইন পর্যালোচনা ও যুগোপযোগী করতে হবে। নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে।

প্রস্তাবিত নতুন আইনগুলো হলো – বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন আইন, বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিস আইন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবায় আইন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন, ওষুধের মূল্য নির্ধারণ এবং প্রবেশাধিকার আইন, অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল কমিশনার আইন ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কমিশনার আইন।

এ সময় কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, সাবেক সচিব এস এম রেজা, ডা. আজহারুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বিফ্রিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে সংস্কারের কমিশনের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খানকে প্রধান করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

পড়ুন: সারা দেশে সরকারি ফার্মেসি চালু করছে সরকার

দেখুন: অনেক অভিযোগ থাকার পরও স্বাস্থ্যখাতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন