29.6 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থী ওয়াসিমসহ কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাসিরসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল এ আদেশ দেন।

প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
শুনানি শেষে এক ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আজ ট্রাইব্যুনালে চট্টগ্রামের বিষয়ে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট এবং অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করার জন্য দুটি আবেদনের ছিল আমাদের। চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলন চলাকালীন যে হত্যাযজ্ঞ হয়েছে, এর সিংহভাগেই সম্পৃক্ত ছিল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি জানান, তদন্ত সংস্থা মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান করে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার খবরের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করেছে। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

সাবেক মন্ত্রী হাসান মাহমুদ, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাসিরসহ চট্রগ্রামের ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ১৫ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের আরও একজন আসামি, যিনি কারাগারে আটক আছেন, তার নাম ফিরোজ। তিনি অভ্যুত্থানের সময়ে হামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তাকে অন্য মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে এই মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আমাদের আবেদন ছিল। আদালত তা মঞ্জুর করেছেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মোহাম্মদপুরের যে হত্যাকাণ্ড হয়েছিল সেই মামলায় দুই মাসের জন্য তদন্তের সময় বাড়ানো হয়েছে। ওমর ফারুক নামে এক আনসার সদস্য, কোনো উসকানি ছাড়াই গুলি করে মেরে ফেলেন। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়েছিল। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

পড়ুন : দুই পুলিশসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ট্রাইব্যুনালে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

বিশেষ প্রতিবেদন