বিজ্ঞাপন

হাতীবান্ধায় হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া আসামি রাতভর অভিযান শেষে গ্রেফতার

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া চুরির মামলার এক আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শ্বাসরুদ্ধকর এক রাতভর অভিযান শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

​গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুল ইসলাম (২৭)। সে উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৫ মার্চ) উপজেলার সিঙ্গীমারী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের (দক্ষিণ গড্ডিমারী) বাসিন্দা ফারুক হোসেনের বাড়িতে আসবাবপত্র চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে ওই বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে চোরকে শনাক্ত করা হয়।

​শনাক্তের পর বুধবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে মনিরুজ্জামানকে আটক করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মাল উদ্ধারের জন্য তাকে নিয়ে অভিযানে বের হয় পুলিশ। কিন্তু পথিমধ্যে সুযোগ বুঝে পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থাতেই দৌড়ে পালিয়ে যায় সে।

​আসামি পালিয়ে যাওয়ার পরপরই তাকে ধরতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক দল বিভক্ত হয়ে অভিযান শুরু করে। অবশেষে সারা রাত টানা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার সকালে সিঙ্গীমারী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এলাকা থেকেই তাকে পুনরায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

​এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চুরির ঘটনায় জড়িত আসামিকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই পণ্য উদ্ধারে যাওয়ার সময় সে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে সকালে তাকে আবারও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

​তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চুরি এবং পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

পড়ুন:হিলিতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

দেখুন:মাদারীপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সং/ঘ/র্ষ 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন