১৪/০১/২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হাদি হত্যার বিচার দাবিতেবাংলাদেশ পন্থী শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে সেনাবাহিনীর বাঁধা, আহত ২৩

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশ পন্থী শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে সেনাবাহিনীর বাঁধা, আহত ২৩ জন শিক্ষার্থী।
বাংলাদেশ পন্থী ব্যানারে শিক্ষার্থীরা হাদী হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে সেনাবাহিনীর সাথে ধস্তাধস্তি হয় এতে কমপক্ষে ২৩ জন আহত হয়।
দেড় ঘন্টা সড়ক অবরোধ থাকার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সেনাবাহিনীর সাথে ধস্তাধস্তি ঘটনায় আন্দোলনকারীদের ২৩ জন হাসপাতালে ভর্তি।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় অধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অগ্র সেনানী ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার রুপকার জুলাই এর অগ্র সেনানী শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার সহ ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত ৪ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পন্থি ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী।

বাংলাদেশ পন্থী শিক্ষার্থীদের আয়োজনে রবিবার দুপুরে মকবুলার রহমান কলেজ থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে পঞ্চগড়ের একমাত্র প্রবেশদ্বার চৌরঙ্গী মোড় রাস্তা দুপুর সোয়া দুইটা থেকে চারটা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘন্টা অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এতে জন দূর্ভোগে পরে যায় সাধারণ জনগণ।

বিক্ষোভ শেষে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক মুকাদ্দেসুর রহমান সান বক্তব্য দিয়ে কর্মসূচীর সমাপ্ত ঘোষণা করার পর পুনরায় ফজলে রাব্বি মাইক হাতে নিতে না নিতেই সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে রাস্তা ছেড়ে আন্দোলন করার কথা বলতে গেলে আন্দোলনকারীদের সাথে সেনাবাহিনীর ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। এতে কমপক্ষে ২৩ জন আহত হয় বলে জানা গেছে। এসময় কয়েকজন সেনা সদস্য আহত হয়। বিকাল সাড়ে চারটার পর পরিস্থিতি স্বভাবিক হওয়ার পর রাস্তার অবরোধ তুলে নেয়া হলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে শহরে।

পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল আলম জানায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের ঘটনার বিষয়ে কোন আটক বা মামলা হয় নাই।

পড়ুন: কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

দেখুন: ’বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা শুক্রবারের ভূমিকম্প

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন