১০/০২/২০২৬, ২১:৩১ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ২১:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গন্তব্য কোথায়?

হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দিলো ভারত

শেখ হাসিনা ইস্যুতে কোন দেশই ঝেড়ে কাশছে না। যে কারণে হাসিনার ভারত থাকা, না থাকা নিয়ে জল কেবল ঘোলাই হচ্ছে। এদিকে ভারতীয় মিডিয়াসহ দেশ বিদেশের কিছু মিডিয়ায় খবর প্রকাশ করা হচ্ছে শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দিয়েছে ভারত সরকার। আর এই ট্রাভেল পাস নিয়ে হাসিনা চাইলেই যেকোন দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

সত্যি কি ভারত সরকার হাসিনাকে ট্রাভেল পাস কিংবা ট্রাভেল পারমিট দিয়েছে? এ নিয়ে এখনও ভারতের দায়িত্বশীলরা কোন মন্তব্য করেননি। তবে কিছু কিছু মিডিয়ায় হাসিনার ট্রাভেল পারমিট নিয়ে যে প্রতিবেদন করেছে, তাতে ধারনা করা হচ্ছে ভারত সরকার হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দিয়ে তার ভারত অবস্থানকে বৈধতা দিয়েছে। এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র সম্প্রতি হাসিনা ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পরবর্তি ব্রিফিং পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, সেখানে প্রশ্ন করুন, দেখেন মুখপাত্র কি  বলেন।

ট্রাভেল পাস মূলত পাসপোর্টের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। সাধারণত বিদেশে গিয়ে কারো পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের হাই কমিশন ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস দেয়। এ পাস নিয়ে কোন ব্যক্তি একটি সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঐ দেশে থাকতে পারেন এবং ট্রাভেল পাস দিয়ে নিজের দেশে ফিরতে পারেন। ট্রাভেল পাসের মেয়াদ হয় ৯০ দিনের।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, ভারত সরকার হাসিনার জন্য যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করেছে তা দিয়ে তিনি বিশ্বের ১২১টিরও বেশি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিশেষ করে যেসব দেশের সাথে ভারতের কুটনৈতিক সম্পর্ক গভীর সে দেশগুলোতে হাসিনার ভ্রমণে আর কোন আইনই জটিলতা নেই।

তবে যে দেশে হাসিনা যেতে চান সেই দেশের সরকার তাকে অবস্থানের অনুমতি দিবে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন। কারণ ট্রাভেল পাস পাসপোর্টের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই ট্রাভেল পাস দিয়ে নিজের দেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে ভ্রমণ করতে হলে সেই দেশেরও অনুমোদন প্রয়োজন হয় বলে জানা গেছে। সে হিসেবে হাসিনার ভারত ছাড়ার বিষয়টি এখনও প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়েই রয়েছে।

এদিকে ট্রাভেল পাস ইস্যু করার খবর চাউর হওয়ার পর হাসিনার ভারত ছাড়ার পূর্বের খবরটি নতুন করে ভিত পাচ্ছে। এরই মাঝে গুঞ্জণ উঠেছে হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে ঠিকই দুবাই গিয়েছিলেন। কিন্তু দুবাই সরকার তাকে ঐ দেশে অবস্থানের অনুমোদন না দেয়ায় ফের তিনি দিল্লি ফিরেছেন।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন হাসিনার ট্রাভেল পাস নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, যে কোন দেশ ট্রাভেল পাস ইস্যু করতে পারে, আমাদের ঠেকানোর উপায় নেই। তবে কোনো মামলায় যদি তাকে আদালত হাজির করতে নির্দেশ দেন, তাহলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। হাসিনার ট্রাভেল পাস ইস্যু নিয়ে ভারতের বেশ কয়েকটি মিডিয়া যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাতে তিব্বতি শ্মরণার্থীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা ট্রভেল পাস নিয়েই ভারতে অবস্থান করেন এবং অন্যদেশও ভ্রমণ করেন। এখন কেবল অপেক্ষা কবে ভারত, হাসিনা ইস্যু নিয়ে খোলাখুলি কথা বলে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন