দুবাইতে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো শান্তর দল। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৪৯.৪ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। জাকের ৬৮ আর হৃদয় ১০০ রান করে আউট হন। ভারতের পক্ষে ৫৩ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি। এছাড়া ৩১ রান খরচায় হার্শিত রানা ৩ আর ৪৩ রান খরচায় ২ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল।
শতরানের আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা পড়া দলকে ইতিহাসগড়া জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিক। দুজনেই খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। যদিও জাকের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির সুযোগ মিস করেছেন, তবে হাতছাড়া করেননি হৃদয়।
তৃতীয় উইকেটে কিছুটা দৃঢ়তা দেখানোর চেষ্টা করে তানজিদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের জুটি। তবে টিকতে পারেননি মিরাজ। দলীয় ২৬ রানে রানার বলে স্লিপে শুভমান গিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনিও। বাকিরা ব্যর্থ হলেও দারুণ সব শটে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন তানজিদ। তবে ভারত স্পিন আক্রমণ শুরু করলে তারও অক্কা ঘটে।
অক্ষর প্যাটেলের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ। ২৫ বলে ৪টি চারে ২৫ রান করেন তিনি। পরের বলেই সেই একইভাবে উইকেট দিয়ে ফেরেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। ৩৫ রানের ৫ উইকেট হারানো দলকে এরপর আলোর পথ দেখান হৃদয় ও জাকের। দুজনে মিলে যোগ করেন ১৫৪ রান। ওয়ানডেতে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে যা বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ। ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষেও এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি।
১১৪ বলে ৬৮ রান করে বিদায় নেন জাকের। তবে ব্যাট চালিয়ে যান হৃদয়। ১১৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা হৃদয় রান আর বাড়াতে পারেননি। শেষদিকে বারবার ব্যথায় কুঁকড়ে গেছেন তিনি। জাকেরের আউটের পর শেষের দিকের ব্যাটারদের মধ্যে কেবল দুই অঙ্কের ছোঁয়া পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। ১২ বলে ১টি চার ও ২ ছক্কায় ১৮ রান করেন তিনি। ভারতের হয়ে ৫টি উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি। এছাড়া রানা ৩টি ও অক্ষর প্যাটেল নেন ২টি উইকেট।


