২৪/০২/২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
25.9 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হোয়াইট হাউজে পুরস্কার নিতে যাননি মেসি

আর্জেন্টিনা ও ইন্টার মায়ামি তারকা লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পেলেও সেটি গ্রহণের জন্য হোয়াইট হাউসের বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। শনিবার (৪ জানুয়ারি) আয়োজিত ওই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে ডেনজেল ওয়াশিংটন, বোনো, ম্যাজিক জনসন এবং হিলারি ক্লিনটনের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকলেও মেসির অনুপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

বিজ্ঞাপন

মেসিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানালেও তিনি সেখানে যাননি। হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক তালিকায় তার নাম থাকলেও অনুষ্ঠানে কেউ তার পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেননি, ফলে তার নাম ঘোষণাও করা হয়নি।

আনুষ্ঠানিকভাবে মেসির অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে “সূচির ভুল” উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

মেসির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয় যেখানে বলা হয়, ‘হোয়াইট হাউস ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফিফার মাধ্যমে ইন্টার মায়ামি ক্লাবকে জানায় যে লিওনেল মেসিকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম দেওয়া হবে। লিও ক্লাবের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসকে চিঠি পাঠিয়ে জানান, তিনি এই সম্মাননার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং এটি তার জন্য বিশাল এক গর্বের বিষয়। তবে পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারছেন না। তিনি এই উদারতাকে সম্মান জানান এবং ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

শুধু ফুটবল মাঠে অবিশ্বাস্য সাফল্যের জন্যই নয়, বরং ‘মানবকল্যাণমূলক কাজের জন্যও’ মেসিকে এই পদক দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘লিও মেসি বিশ্বের শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ‘লিও মেসি ফাউন্ডেশন’ বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প পরিচালনা করে। এছাড়া, তিনি ‘ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবেও কাজ করছেন।’

বর্তমানে মেসি ফুটবলের অফ-সিজনে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন। আগামী মাসে নতুন মৌসুম শুরুর আগে ইন্টার মায়ামির হয়ে তিনি আবারও মাঠে ফিরবেন। এটি ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তির শেষ বছর হতে চলেছে।

মেসির এই অনুপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, এটি শুধুই সময়সূচির একটি ভুল, আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক কারণে ইচ্ছাকৃত। তবে মেসি বা তার ক্লাব আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কিত মন্তব্য করেননি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন