রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধাবসান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে বৈঠক শুরু হয়েছে। সোমবার নির্ধারিত স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়েছে এ বৈঠক।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে গতকাল রোববার রাতেই ওয়াশিংটনে পৌঁছেছিলেন জেলেনস্কি। তারপর আজ সোমবার দুপুর ঠিক ১টা ১৩ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে পৌঁছান জেলেনস্কি।
ট্রাম্প-জেলেনস্কির এ বৈঠকে জেলেনস্কির সঙ্গে আছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান আন্দ্রিয়ে ইয়েরমাক এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বর্তমান দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রুস্তেম উমেরভ।
আর ট্রাম্পের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ড জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
আজ হোয়াইট হাউসে যে ইস্যুতে বৈঠক হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে, গত শুক্রবার একই ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী মার্কিন অঙ্গরাজ্য আলাস্কার একটি সেনাঘাঁটিতে হয়েছিল সেই বৈঠক। পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার তিন দিনের মাথায় জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্প।
সাড়ে তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। প্রায় তিন ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে তারা শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।
ওই বৈঠকে কীভাবে এই যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে, সে বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। পরে ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার দখল করা কিছু এলাকা ইউক্রেন ছেড়ে দিয়ে এই যুদ্ধের ইতি টানতে পারে।
এরপর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক হচ্ছে। তবে এটা কোনো রুদ্ধদ্বার বৈঠক নয়। সংবাদমাধ্যমগুলো বৈঠকটি সরাসরি সম্প্রচার করছে।
যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, সবার জন্য তিনি এই যুদ্ধ বন্ধ চান।
পড়ুন : যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনকে ক্রিমিয়ার আশা ছাড়তে হবে, ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না : ট্রাম্প


