২৬/০২/২০২৬, ১৭:৫১ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ১৭:৫১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা, যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

এ ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা উপকৃত হবেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন। এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। ঋণ মওকুফের প্রায় তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল বলেও এসময় জানানো হয়।

পড়ুন: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তদের সম্মাননা হাতে তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন