জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নং বার ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন শেষে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান বলেন,
দেশে গত ১১ মাসে কোনো গুম-ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেনি, এমনকি পুলিশ বাদী হয়ে পতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যে মিথ্যা মামলা করার প্রবণতা ছিল তাও ঘটেনি বিগত সময়ে। এই সফলতা জুলাই বিপ্লবের,শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের ৩৬ জুলাইয়ের।
সোমবার বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নং বার ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনীর ফলেই দেশে দিনের ভুট রাতে করার পদ্ধতি চালু হয়েছিল, ভোটাধিকার হরন,অবিচারের বীজ বপন আর খুনের রাজনীতি চালুই হয়েছে এই রায়ের মাধ্যমে।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারেই লক্ষেই সিআরপিসির বিদ্যমান দুটি আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কেউ মিথ্যা মামলার স্বীকার হলে আবেদন জানাতে পারবেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। যাচাই-বাচাই শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া গেলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের আগে তদন্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক একটি রিপোর্ট দিতে পারবেন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর। তিনি সন্তুষ্টি সাপেক্ষে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রাথমিক অবস্থায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আদেশ দিতে পারবেন,তবে তদন্ত চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে যে কোনও আইন সংশোধনে বিচারকদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।
মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী সদস্য এড.বকসী জুবায়ের আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ খাদিমুল কায়েস, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রাকিব রউফ চৌধুরী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জজ এনায়েত কবীর সরকার , জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জিপি মামুনুর রশিদ এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মতিন চৌধূরী।
মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার বিচারকগণ, আইনজীবী ও সুধীজন।
এর আগে আদালতের পাশে জেলা আইনজীবী সমিতির ২নং বার হলের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এরপর তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
পড়ুন : মৌলভীবাজারের দুই সীমান্ত দিয়ে ১২১ জনকে ঠেলে পাঠালো বিএসএফ


