ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মৌলভীবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮০টি কেন্দ্রকে অধিক গুরত্বপূর্ণ (অতি গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
এর মধ্যে ১৪৩টি কেন্দ্রকে রাখা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণের তালিকায় আর সাধারণ কেন্দ্রের তালিকায় আছে ৩৩১ টি। এসব কেন্দ্রে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সশস্ত্র পুলিশ ও আনসার মোতায়েন থাকবে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে কন্ট্রোল রুমে লাইভ বার্তা প্রেরণের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সববাহিনীর সমন্বিত অংশগ্রহণে যেকোনো নাশকতামূলক পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবেলায় যৌথ বাহিনীর সমন্বিত মহড়া শেষে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিলাল হোসেন বলেন। তিনি বলেন ভোটারদের মাজে স্বস্তি ফেরানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সে লক্ষ্যে মাঠে কাজ করছে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা। এবারের নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ১১ হাজার সদস্য।
শহরের এম. সাইফুর রহমান স্টেডিয়ামে আয়োজিত এ মহড়ায় একটি ভোটকেন্দ্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলাকালে দুর্বৃত্তদের অনুপ্রবেশ, ভোটগ্রহণে বাধা প্রদান, ব্যালট বাক্স ছিনতাই এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির দৃশ্য প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম কন্ট্রোল রুমে লাইভ বার্তা প্রেরণ, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং টিমের দ্রæত উপস্থিতি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়া প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় লাঠিচার্জ, গ্যাসগান ও সাউন্ড গ্রেনেডের প্রয়োগও মহড়ায় তুলে ধরা হয়।
মহড়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসিফ মহিউদ্দিন পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের, মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেনসহ সেনাবাহিনী, আনসার ব্যাটালিয়ন, বিজিবি ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


