ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামাসের কর্মকর্তারা সাতজন বন্দিকে রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেছে। শীঘ্রই তাদের ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মুক্ত হওয়া সাতজন হলেন গালি বারম্যান, জিভ বারম্যান, আইটান আব্রাহাম মোর, ওমরি মিরান, মাতান অ্যাঙ্গরেস্ট, আলোন আহেল ও গাই গিলবোয়া-ডালাল।
এছাড়াও আরও ২৮ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহও হস্তান্তর করার কথা। তবে, কয়েকটি মরদেহ নিখোঁজ বলেও জানা গেছে। সেগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে স্পষ্ট নয়। এবারও রেড ক্রসের মাধ্যমে হবে বিনিময় প্রক্রিয়া। হস্তান্তরের জন্য উপত্যকার তিনটি পৃথক স্থানে নেয়া হয়েছে জিম্মি ইসরায়েলিদের।
শুরুতে মুক্তিপ্রাপ্তদের শারীরিক পরীক্ষার জন্য নেয়া হবে গাজায় ইসরায়েলের সেনাঘাটিতে। এরপর একে একে ছাড়া পাবে আটককৃত ফিলিস্তিনিরা। বন্দিমুক্তি ঘিরে দখলকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের কোনো উদযাপন না করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এমনকি গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতেও নিষেধ করা হয়েছে।
অপরদিকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে বিশাল জনতা জড়ো হচ্ছে। সেখানে শিগগিরই নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে শত শত মুক্ত ফিলিস্তিনি পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে বন্দি বিনিময়ের জন্য মোট ২০ জন ইসরাইলি জিম্মির তালিকা প্রকাশ করেছে হামাস। বর্তমানে হামাসের হাতে থাকা ৪৮ জন জিম্মির মধ্যে এখনো এই ২০ জন জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিনিময়ে ইসরাইলি কারাগার থেকে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়ার কথা রয়েছে।
পড়ুন : ইসরায়েলের হাত থেকে মুক্ত বাংলাদেশিসহ দুই দেশের মানবাধিকারকর্মীরা


