১৪/০১/২০২৬, ০:১৪ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ০:১৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৭ নভেম্বর বিপ্লবের মহানায়কে পরিণত হন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল

স্বাধীনতার ঘোষক ও এক নিষ্কলুষ সাহসী সৈনিক হিসেবে জিয়াউর রহমানের প্রতি সামরিক বাহিনী ও জনগণের গভীর আস্থা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর ভাষায়, “জনগণের সেই অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণেই জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে মহানায়কে পরিণত হন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সমর্থনের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। এই বিপ্লবের মূল শক্তি ছিল সেনা ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ঐক্য, যা রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করে জাতীয় জীবনে নতুন অধ্যায় সূচনা করে।

তিনি বলেন, “৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় দিন। সিপাহী-জনতার এই বিপ্লবের সম্মিলিত প্রয়াসে জনগণ নতুন প্রত্যয়ে জেগে ওঠে। এই বিপ্লবের সফলতার সিঁড়ি বেয়েই আমরা পেয়েছি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথ।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, এই বিপ্লবের মধ্য দিয়েই দেশে আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সামাজিক শান্তি ফিরে আসে। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবের মাধ্যমে মুক্তি পান বন্দিদশায় থাকা জিয়াউর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়।

জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী রাজনীতির উন্মেষ ঘটিয়ে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। আজও দেশে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশবাসী কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও সুশাসনের অঙ্গীকার এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বিচারবহির্ভূত হত্যায় মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, আইনি প্রতিকার থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশকে পদানত করার জন্য কুচক্রী মহল এখনো অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের চেতনা বুকে ধারণ করে আমাদের আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর করে অর্থনৈতিক মুক্তি, শান্তি, সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সবাইকে কাজ করতে হবে।

পড়ুন: ঐকমত্য কমিশনের ব্যয় ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন