25.7 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ২২:৩৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৮ রানে আফগানিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপে টিকে থাকল বাংলাদেশ

এশিয়া কাপে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো গতি ছিল না বাংলাদেশের। তাই চাপটা একটু বেশি ছিলই বাংলাদেশের জন্য। যার ছাপ প্রথমে ব্যাটিংয়ে দেখা যায়। আফগানকে মাত্র ১৫৫ রানের টার্গেট দেয় টাইগাররা। কিন্তু সেই রান তুলতে পারেননি আফগান ব্যাটাররা। ১৪৬ রানেই থেমে যায় তাদের রান। ফলে ৮ রানের জয় নিয়ে এশিয়া কাপের লড়াইয়ে টিকে থাকল বাংলাদেশ।

১৮ বলে দরকার ৩১ রান। ঠিক এই সময়েই রান আউটে আফগানদের সপ্তম উইকেট তুলে তাদের আরও চাপে ফেলে বাংলাদেশ। নুরুল হাসান সোহানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে রান আউট হন করিম জানাত (৬)। তাতে ১২৪ রানে পড়েছে সপ্তম উইকেট।

৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারালেও ক্যামিও ইনিংসে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাচ্ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার ব্যাটে ১৫তম ওভারে স্কোর একশ ছাড়ায় আফগানদের। মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ানো এই ব্যাটারকে ৩০ রানে থামিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ওমরজাই ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা মেরেছিলেন।

আফগানদের চেপে ধরার কৌশলে ১৩তম ওভারে পঞ্চম উইকেটও তুলে নেয় বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন মোহাম্মদ নবী (১৫)। তাতে ৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আরও বিপদে পড়ে আফগানিস্তান।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে আফগানদের প্রত্যাশা মতো রান পেতে দেয়নি বাংলাদেশ। তাতে ১০ ওভারে ৩ উইকেটে সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬১ রান। গুরবাজ প্রান্ত আগলে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেও ড্রিংকস ব্রেকের পর রিশাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে ৩৫ রানে কাটা পড়েন আফগান ওপেনার। তার ৩১ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়। এটি ছিল রিশাদের দ্বিতীয় উইকেট। আফগানরা চতুর্থ উইকেট হারায় ৬২ রানে।

দুই উইকেট পতনের পর রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন গুলবাদিন নাইব ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ২৭ বলে ৩৩ রান যোগ করেন তারা। ৮.৩ ওভারে এসে গুলবাদিনকে বিদায় দিয়ে আফগানদের আরও চাপে ফেলেছেন রিশাদ হোসেন। গুলবাদিনের ফিরতি ক্যাচ নেন রিশাদ। তাতে আফগান ব্যাটার ১৪ বলে বিদায় নেন ১৬ রানে।

পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি আফগানদের বেশি রানও করতে দেয়নি বাংলাদেশ। ৬ ওভারে নিতে পেরেছে মাত্র ২৭ রান। তাতে আফগানিস্তানকে শুরুতে চাপে রাখার কৌশলে সফল বাংলাদেশ।

প্রথম বলে নাসুমের আঘাতের পর চড়াও হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। পঞ্চম ওভারে এসে সেই জুটিও ভেঙেছেন নাসুম আহমেদ। তার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ৫ রানে ফিরেছেন ইব্রাহিম। অবশ্য আফগানিস্তান রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। আফগান ব্যাটার কাটা পড়েন আম্পায়ারর্স কলে।

শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। তবে আজকের একাদশে জায়গা পাওয়া নাসুম আহমেদ ঠিকই শুরুর দিকে উইকেট নিয়ে আফগানদের চাপে ফেলেছেন। প্রথম বলে ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটলকে শূন্য রানে এলবিডাব্লিউ করেছেন বামহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তাতে কোনও রান না তুলেই শুরুতে উইকেট হারায় আফগানিস্তান। নাসুম প্রথম ওভারে কোনও রান দেননি।

ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার চেষ্টায় ছিলেন রশিদ খান। প্রথম বলে চার মারলেও ১৮.২ ওভারে মোস্তাফিজের বলেই ২০ রানে কাটা পড়েন তিনি। তাতে ১৩২ রানে অষ্টম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরের বলে নতুন নামা গজনফরকেও গ্লাভসবন্দি করান কাটার মাস্টার। তাতে জয়ের আরও কাছে চলে আসে বাংলাদেশ।

আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন তামিম।

দুই ওপেনারের ব্যাটে উড়ন্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে তানজিদ তামিম দারুণ ব্যাটিং করেছেন। এই ওপেনারের গড়ে দেওয়া শক্ত ভিতে দাঁড়িয়েও সুবিধা করতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। জাকের আলি-লিটন দাসরা প্রচুর ডট বল খেলেছেন। তাতে কোনোরকমে দেড়শ ছুঁয়েছে বাংলাদেশ।

টস জিতে লিটন দাসের ব্যাটিং বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে। তবে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত ঠিক প্রমাণ করেছেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। বিশেষ করে তামিম। এই তরুণ ওপেনার পাওয়ার প্লেতে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন।

আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন তামিম।

দুই ওপেনারের ব্যাটে উড়ন্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে তানজিদ তামিম দারুণ ব্যাটিং করেছেন। এই ওপেনারের গড়ে দেওয়া শক্ত ভিতে দাঁড়িয়েও সুবিধা করতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। জাকের আলি-লিটন দাসরা প্রচুর ডট বল খেলেছেন। তাতে কোনোরকমে দেড়শ ছুঁয়েছে বাংলাদেশ।

টস জিতে লিটন দাসের ব্যাটিং বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে। তবে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত ঠিক প্রমাণ করেছেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। বিশেষ করে তামিম। এই তরুণ ওপেনার পাওয়ার প্লেতে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন।

মিডল অর্ডারে তাওহিদ হৃদয় উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২০ বল খেলে ২৬ রান করেছেন তিনি।

শেষদিকে জাকের আলি বেশ ভুগেছেন। আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপরীতে রান করতে রীতিমতো সংগ্রাম করেছেন। ১৩ বল খেলে অপরাজিত ১২ রান করেছেন তিনি। তবে নুরুল হাসান সোহান ভালো ব্যাটিং করেছেন। তার ৬ বলে অপরাজিত ১২ রানের ইনিংস বেশ কার্যকরী ছিল।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারালো শ্রীলঙ্কা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন