২৫/০২/২০২৬, ২১:২০ অপরাহ্ণ
25.2 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ২১:২০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৯ ঘণ্টা ধরে ৩০ ফুট গর্তে দুই বছরের শিশু, ডাকছে ‘মা, মা’ বলে

রাজশাহীর তানোরে ৩৫ ফুট গভীর সরু গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদ এখনো উদ্ধার হয়নি। গর্তের ভেতর থেকে শিশুটির ‘মা, মা’ বলে ডাক দেওয়ার করুণ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছে তার মা এবং আশপাশের মানুষ। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট রাতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে এবং খননযন্ত্র দিয়ে পাশে নতুন গর্ত খোঁড়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে- শিশুটিকে উদ্ধারে তাদের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। উদ্ধার করতে আরও ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ৯ ঘণ্টায়ও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশুটিকে। স্বাধীন কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিব উদ্দীনের ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরে জমি থেকে মাটি নিয়ে আসার সময় একটি ট্রলি আটকে যায়। রাকিব ও তার স্ত্রী তাদের দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে মাটিতে গেঁথে যাওয়া ট্রলিকে দেখতে যায়। শিশুটি তার মায়ের কোল থেকে নেমে জমির মধ্যে হাঁটছিল। কোন এক সময় পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা ছাড়াও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এরপর ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। তারা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছে। ফলে মাটি গর্তে পড়েছে। ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বুঝতে পারা যাচ্ছে না। তবে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের জন্য অক্সিজেন পাঠাচ্ছেন তারা। এছাড়া গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে খনন করা হচ্ছে। এতে আরও ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইটভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিমানা আদায়

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন