19 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পরিচয় মিলেছে ট্রাভেল ব্যাগে থাকা আট খন্ড লাশের

গাজীপুরের টঙ্গীতে ট্রাভেল ব্যাগে পাওয়া খণ্ডিত লাশটি অলি (৩৫) নামের এক যুবকের বলে জানা গেছে।

আজ শুক্রবার সকালে টঙ্গীর স্টেশনরোড এলাকায় মাথাবিহীন আট খণ্ড লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহত যুবকের নাম অলি। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় বাসের হেলপার। ১০ বছর ধরে পরিবার নিয়ে গাজীপুরে বসবাস করতেন তিনি। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে। নিহতের বড় ভাই রবিউলের স্ত্রী মাহমুদা বেগম এসব তথ্য জানান।

টঙ্গী পুর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছাব্বির হোসেন লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টঙ্গীর স্টেশনরোড এলাকায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ট্রাভেল ব্যাগ দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই ব্যাগ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর পাঠান। খবর পেয়ে পুলিশ ব্যাগের ভেতরে থাকা দুটি কালো পলিথিনে মোড়ানো আট খণ্ড লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার খবর পেয়ে ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টর (সিআইডি) গাজীপুরের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে বিকেলে মরদেহের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

টঙ্গীতে পরিত্যক্ত ট্রাভেল ব্যাগ খুলতেই মিলল খণ্ডিত লাশটঙ্গীতে পরিত্যক্ত ট্রাভেল ব্যাগ খুলতেই মিলল খণ্ডিত লাশ ঘটনাস্থলের পাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোররাত ৪টার দিকে একটি প্রাইভেট কার থেকে আঞ্চলিক সড়কে ট্রাভেল ব্যাগটি ফেলে চলে যান কয়েকজন। তবে ফুটেজে ওই প্রাইভেট কার ও ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছাব্বির হোসেন।

টঙ্গী পুর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মৃত অলির পরিবারের খোঁজ নিতে নরসিংদী সদর থানা-পুলিশকে খবর পাঠানো হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গাজীপুরের মকশ বিলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন