২০/০২/২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
23 C
Dhaka
২০/০২/২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চরফ্যাশনে ট্রাক্টর চালকের উপর হামলার ভিডিও ভাইরাল, থানায় অভিযোগ

চরফ্যাশনে জমি চাষের সময় শাহিন নামের এক ট্রাক্টর চালকের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার বজলু গাইন গং এর বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে লাঠি হাতে নারী পুরুষকে দেখা যায় শাহিনের উপর হামলা করতে।

রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ১০ টার দিকে ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড উত্তর ফ্যাশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জমির মালিক দাবিদার এম এ মান্নান মিয়া বাদী হয়ে হামলায় জড়িত বজলু গাইন, তার ভাই সালাউদ্দিন গাইন, ছেলে পারভেজ গাইন , স্ত্রী জাহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে চরফ্যাসন থানায় একটি জিডি করেছেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিনের বিরোধীয় জমিতে ঘটনার দিন সকালে মান্নান মিয়া ট্রাক্টর ড্রাইভার শাহিন চাষ দিতে গেলে বজলু গাইন, তার ভাই, ছেলে, স্ত্রী মিলে লাঠি সোটা নিয়ে তার উপর হামলা করে, তাকে দীর্ঘক্ষণ আটকিয়ে মারধর করে ফুলা জখম করে। এ সময় ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

বাদী এম এ মান্নান মিয়া বলেন, আমার স্ত্রী ইয়াছমিন উত্তর ফ্যাশন মৌজার জে এল নং-০৩, বিএস ২৯৪২,২৮৭৫ নং খতিয়ানে ১৮৩২/১৮৩৩/১৮৩৪/১৮৩৫/১৮৩৬ নং দাগে ২২০ শতাংশ ক্রয় সূত্রে মালিক, বজলু গাইন ও তার আত্মীয়রা প্রায় সাত আট বছর আমাদের জমির চাষা ছিলেন, আওয়ামী লীগের আমলে একটি জাল দলিলের মাধ্যমে তারা আমার জমি দাবী করেন এবং একই সাথে বজলু গাইন, তার ভাই, স্ত্রী ছেলেরা আমাদের জমি দখলের লক্ষে বিরোধ শুরু করে, পরে বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা মিমাংসা করে দেয়, ইদানিং তারা আবার উৎপাত শুরু করে, আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে, আজ আমার ট্রাক্টর ড্রাইভারের উপর হামলা হুমকির প্রতিফলন।

হামলার অভিযোগ বিষয়ে বজলু গাইন বলেন, বিরোধীয় জমিতে চাষ দেওয়ায় হাতাহাতি হয়েছে। এ সময় তিনি জানান এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে, তবে তিনি জমির মালিকানার কাগজ প্রতিবেদক দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।

চরফ্যাসন থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) বলেন, জিডি পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চরফ্যাশনে জোড়া খুনের মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন