বাংলাদেশ সরকারের চরম আগ্রহ থাকলেও আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্বে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। তবে এ ব্যাপারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান। ক্ষেত্র প্রস্তুত হলে আসন্ন নির্বাচন ছাড়া পরবর্তী যেকোনো নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন প্রবাসীরা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রবিবার (১০ আগস্ট) বিকালে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রাঙ্গণে ‘রেমিটেন্স যোদ্ধা দিবস’ ও ৩৬ জুলাই উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পূর্বে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত নয়, এই বিষয়টি নিয়ে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক হলেও প্রবাসীরা ভোট দেওয়ার মতন পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি।
রাষ্টদূত আরও বলেন, বিশ্বের যে দেশগুলোতে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রচলন আছে সেই দেশগুলোর নিয়ম-কানুন গুলো পরীক্ষা নিরিক্ষা করা হচ্ছে। ফিলিপাইনে এই পদ্ধতি চালু থাকলেও তারা শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করে থাকেন। আমাদের যদি প্রবাসীদের ভোটের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয় তাহলে তিনশটি সংসদীয় আসনের ব্যালট স্থাপন করতে হবে। এ দেশে ১২ লক্ষের উপর বাংলাদেশি রয়েছেন। তাই আমাদের তিনশটি বুথ লাগবে। তিনশট আসন থেকে ব্যালট ও অফিসার প্রয়োজন হবে। এটি কঠিন কাজ। এটি শুধু এ দেশে না বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ এটি স্থাপন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে গ্রাফেতি প্রদর্শনী ও “জুলাই অনির্বাণ” নামক চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, আলোচনায় ৩৬ জুলাইয়ের বিভিন্ন ঘটনাবলী, রেমিট্যান্স ও বিমানের নানা ভোগান্তির বিষয়টি উঠে আসে।আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, ইউএই জনতা ব্যাংকের সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান,বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্স আামিরাতের রিজিওন্যাল ম্যানেজার মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন,ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমিরাতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিয়োজিত বাংলাদেশী অধ্যাপক,সাংবাদিক, পেশাজীবী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
পড়ুন : বিতর্কিত ৩ নির্বাচন আয়োজনে জড়িতদের ভূমিকা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার


