জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা বলেছেন, যে সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে সকলে ঐক্যমত হবে তা বাস্তবায়নে নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান নির্ধারনের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন করতে হবে। গণপরিষদ নির্বাচন, কাঙ্খিত সংস্কার এবং জুলাই গণহত্যার বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ার পরেই এনসিপি নির্বাচনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবে। এগুলো বাস্তবায়নের পরে যদি নির্বাচন সামনের দিকে এগিয়েও আসে, সকল আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এনসিপি। কিন্তু কাঙ্খিত সংস্কারের প্রশ্নে যদি কোন দল গরিমসি করে মানুষকে সংস্কার থেকে বঞ্চিত করা হয় সে ক্ষেত্রে এনসিপি আবারও রাজপথে নামবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় কমিটির মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ এর বিষয়ে ঐক্যমত হয়েছে কিছু আলোচনা চলমান রয়েছে যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। জুলাই সনদকে একটি আইনি কাঠামোতে আনতে হবে যাতে করে পরবর্তীতে নির্বাচিত রাজনৈতিক দল এগুলো বাস্তবায়নে বাধ্য থাকে এবং জনগন যেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে। যদি তা না হয় তাহলে বাংলাদেশে আবারো গভীর সংকটের মধ্যে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে এনসিপি আবারো জনগণকে সংঘটিত করে রাজপথে আন্দোলন করবে। এনসিপি উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। উচ্চকক্ষে যে আসন বন্টন তা ভোটের অনুপাতে হতে হবে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং রাজনৈতিক দল এনসিপি এক নয়।
এসময় এনসিপি পটুয়াখালী জেলা সমন্বয়ে কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী মনজুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ বশির উদ্দিন, বাসেদুল ইসলাম রাশেদসহ অন্যান্য নেতাকর্মী এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : পটুয়াখালীতে ব্যাংকের এটিএম বুথে দস্যুতা ও একাধিক চুরি মামলা, গ্রেফতার ১ জন


