চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড চত্বরে স্থাপিত দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক ভাস্কর্য এখন মানুষের কৌতূহল ও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভাস্কর্য ঘিরে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরাও সেখানে ছুটে আসছেন।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্থাপিত ভাস্কর্যটি ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে নির্মাণ করায় একদিকে যেমন নান্দনিক সৌন্দর্য যুক্ত হয়েছে, অন্যদিকে ধর্মীয় ঐতিহ্যের আবহও সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, ভাস্কর্য স্থাপনের পর থেকে এলাকার চিত্রই বদলে গেছে। সন্ধ্যার পর আলোয় ঝলমল করা ভাস্কর্য দেখতে প্রতিদিন মানুষ ভিড় করছেন। এতে বাজার এলাকা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
শুধু স্থানীয় নয়, পাশের উপজেলা থেকেও অনেক দর্শনার্থী ভাস্কর্য দেখতে আসছেন বলে জানিয়েছেন পৌরবাসী। শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন নান্দনিক স্থাপনা এলাকাবাসীর কাছে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠেছে।
জানা যায়, ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে পৌরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে, ব্যয় হয়েছে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৮ টাকা। পূর্বে এখানে অবস্থিত ‘টাইগার চত্বর’ একটি দুর্ঘটনায় ভেঙে যাওয়ার পর স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে এই ইসলামিক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়।
জীবননগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার প্রশাসক সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা বলেন, ‘পৌরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে এ ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। শুরু উদ্বোধন পর্যন্ত আমরা সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি।
উল্লেখ্য, দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক ভাস্কর্য নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) দুপুরে এর উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-আমীন হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, জীবননগর থানার ওসি মামুন হোসেন বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন মোল্লাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
পড়ুন : চুয়াডাঙ্গার সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ছেলুন জোয়ার্দ্দারের মৃত্যু


