28.8 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১৮:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় জমি বিরোধে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের আলোকদিয়া-ভালাইরপুরের চুলকানিপাড়ায় তুফানের চাতালের অদূরে এ ঘটনা ঘটে।জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেকে কোপানোর ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছেলে মারা যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পিতাকে কুষ্টিয়া নেয়ার পথে বেলা আড়াইটার দিকে তিনিও মারা যান

বিজ্ঞাপন

নিহত ছেলের নাম মিরাজ (১৬) ও তার বাবার নাম তৈয়ব আলী (৪৫) তারা আলোকদিয়া গ্রামের বাজারপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাজু ও বাবুকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত তৈয়ব আলী ও তার চাচাতো ভাই রাজুর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। রাজু আর বাবু সম্পর্কে মামাতো ভাই। প্রায় দিনই তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে ছোটখাটো গণ্ডগোল হতো। আজ মঙ্গলবার সকালে এরই জের ধরে বাবু ও রাজু ধারাল অস্ত্র দিয়ে মিরাজ ও তার বাবা তৈয়ব আলীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই ছেলে মোহাম্মদ মিরাজের (১৬) মৃত্যু হয়ে। রক্তাক্ত অবস্থা পিতা তৈয়ব আলীকে (৪৫) উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তৈয়ব আলীকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথের মধ্য অবস্থার অবনতি হলে আবারো সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে বেলা আড়াইটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম মৃত ঘোষনা করেন।

এদিকে, বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পুরো এলাকাজুড়ে শোকে যেন স্তব্ধ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেকে কোপানোর ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছেলে মারা যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পিতাকে কুষ্টিয়া নেয়ার পথে তিনিও মারা যান। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজন বাবু ও রাজুকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

পড়ুন: শার্শা সিমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৭ বাংলাদেশি আটক

দেখুন: খাগড়াছড়িতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃ/ত্যু/র অভিযোগ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন