বিজ্ঞাপন

নওগাঁয় অটোরিকশা চালককে হত্যা, পাঁচ জনের যাবজ্জীবন

নওগাঁয় ভজন দেবনাথ সজল নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালত এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মো. কায়সারুল ইসলাম এ রায় দেন। রায়ের সময় ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং একজন পলাতক ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মুনছুর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার আরজি-নওগাঁ মন্ডলপাড়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে জুয়েল জাহের আলী (পলাতক), উত্তরপাড়া পবা মসজিদ এলাকার হাসান মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া, বেদারুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম, চকপ্রসাদ মাদ্রাসাপাড়া এলাকার আ: সাত্তারের ছেলে রতন মন্ডল এবং বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার খানপুর এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে আব্দুর রশিদ। এদিকে সদর উপজেলার নিউসাহাপুর এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে আ: আজিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওযায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আদালত সুত্রে জানা যায়, ভজন দেবনাথ সজল একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার নিজস্ব অটোরিকশাটি নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় ভাড়ায় চালানোর জন্য নিজ বাড়ি হতে বাহিরে যায়। তারপর ওই রাত্রিতে সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনা। এরপর স্বজনরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পায়না। পরের দিন ১৭ নভেম্বর সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি গোটার বিলে পাকা রাস্তা সংলগ্ন কাঁদা পানিতে কচুরি পানার মধ্যে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা ভূপেনন্দ্রাথ দেবনাত বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ মামলায় ১৩জন সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

মামলার এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনছুর আলী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

পড়ুন: খাগড়াছড়িতে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান

দেখুন: হিটলারেরও ক্ষোভ ছিল ইহুদিদের ওপরে?

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন