কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ঘিরে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের যে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে, তা মোকাবিলায় স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতার ভূমিকা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির ভেতরের কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা ব্যক্তিগত স্বার্থ ও টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠিত করছেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুলাল কান্ত দে (স্থানীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক) ও অফিস সহকারী দেলোয়ার হোসেন ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা দুজনের বিরুদ্ধেই অনিয়ম ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর আন্দোলন ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সত্ত্বেও এতদিন তাঁদের বহিষ্কার করা হয়নি। বরং নানা বৈঠকে সমঝোতার’ নামে সুযোগ সুবিধা আদায় করে তাঁদের টিকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠছে বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় অনেকের প্রশ্ন একটি বিদ্যালয়কে রাজনৈতিক পাল্লার ভারসাম্য রক্ষার জায়গা বানিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কি ক্রমাগত বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে না? বিএনপির ভেতরেই এখন এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিভাজন তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দলীয় রাজনীতির বাইরে রেখে, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

