চাঁদাবাজ ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম এমপির ছেলে শওকত আজিজ রাসেল দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আগামী দিনে বিএনপি বলেন বা অন্য যে দলই বলেন, আগের মতো হবে বলে মনে করি না। চাঁদাবাজ, মন্ত্রীও চাঁদাবাজ, এমপিও চাঁদাবাজ। আমরা যে চাঁদাবাজির দোহাই দিই, সেটা বন্ধ করতে হলে মন্ত্রী-মিনিস্টার পর্যায় থেকেই পরিশুদ্ধ করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া এবার আমার নেতা তারেক রহমান হাতে নেবেন।”
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বিগত সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া আমাকে নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এবারও ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশা করি। খালেদা জিয়া আমাকে জানিয়েছেন, তারেক রহমান যখন দেশে ফিরবেন, তখন তাঁর সঙ্গে বিএনপির রাজনীতি চালিয়ে যেতে।”
বেগমগঞ্জের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রসঙ্গে রাসেল বলেন, “বেগমগঞ্জ অবহেলিত, বিষমভাবে অবহেলিত। বাংলাদেশে ভোটের রেশিও ধরলে বেগমগঞ্জ হচ্ছে বিএনপির ঘাঁটি। এখানে সবচেয়ে বেশি বিএনপির ভোট, কিন্তু এই এলাকার মানুষ আজ অস্বস্তিকর অবস্থায় আছে। মানুষের মধ্যে একধরনের বিতৃষ্ণা কাজ করছে, যা তৈরি হয়েছে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ আর অযোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য জায়গায় বসানোর প্রবণতায়। বেগমগঞ্জের মানুষ এই বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তি চায়।”
সভায় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা শাহ আবদুল্লাহ আল বাকী, জেলা বিএনপির সদস্য জিএস হানিফ, আবু নাছের মামুন, শাহীন চেয়ারম্যানসহ উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া মহাসড়কে বিক্ষোভ
দেখুন: করধাপ কমায় করদাতাদের ওপর করের চাপ বাড়বে |
ইম/


