বিজ্ঞাপন

পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চায় না রাশিয়া: ল্যাভরভ

পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয় বরং শর্তসাপেক্ষে সহযোগিতাই চাইছে মস্কো। এমন কথাই বলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি জানান, রাশিয়া সংলাপ ও সমমর্যাদার সহযোগিতায় আগ্রহী।

একইসঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে ‘মূল কারণ’ দূর করার আহ্বানও জানিয়েছেন ল্যাভরভ। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

সোমবার মস্কো স্টেট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়ার কারও ওপর প্রতিশোধ নেওয়া বা ক্ষোভ উগরে দেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। তার ভাষায়, “রাগ কিংবা প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা— এ দুটোই খারাপ।”

তিনি বলেন, “যখন আমাদের পশ্চিমা সাবেক অংশীদাররা হুঁশে ফিরবে এবং রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে চাইবে, তখন আমরা তাদের ফিরিয়ে দেব না। তবে কোন শর্তে সেটা করা সম্ভব, তা দেখা হবে।”

ল্যাভরভ আরও বলেন, ভবিষ্যতে পশ্চিমাদের সঙ্গে সহযোগিতা এমনভাবে করতে হবে যাতে রাশিয়ার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি না হয়।

তিনি দাবি করেন, রাশিয়া সংলাপের জন্য প্রস্তুত এবং সবার সঙ্গে ‘সৎভাবে’ কাজ করতে চায়। এর প্রমাণ মিলেছে গত মাসে আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে।

গত ১৫ আগস্ট অ্যানকারেজ শহরে অনুষ্ঠিত ওই শীর্ষ সম্মেলন ছিল ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় পর রুশ ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম সরাসরি বৈঠক।

আলাস্কা বৈঠক প্রসঙ্গে ল্যাভরভ বলেন, এই বৈঠক দেখিয়েছে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন পারস্পরিক জাতীয় স্বার্থকে সম্মান জানিয়ে সব সমস্যার সমাধানের প্রয়োজনীয়তা বোঝে। ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রেও ওয়াশিংটন এ সংঘাতের “মূল কারণ দূর করার” ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ল্যাভরভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সঙ্গেই সমমর্যাদার সহযোগিতায় রাশিয়া আগ্রহী। আর্কটিক অঞ্চল, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), মহাকাশ গবেষণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে।

তার ভাষায়, “তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) মধ্যেও একই ধরনের আগ্রহ রয়েছে।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: পুতিন-জেলেনস্কির মধ্যে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা হয়নি : রাশিয়া

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন