কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আরফিন (২৩) ও তার মা তাহমিনা বেগমের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নগরীর কালিয়াজুরী এলাকার ‘নেলী কটেজ’ ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন কুবির শিক্ষার্থীরা।
খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) তারা কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।
দুপুর ১২টা থেকে এ বিক্ষোভ শুরু হয়, যা দুপুর ১টা পর্যন্ত চলতে থাকে। নিহত সুমাইয়া কুমিল্লা আদালতের সাবেক হিসাবরক্ষক মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে। মা-মেয়ে নগরীর সুজানগর এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। গতকাল সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে তারা নগরীর পুবালী চত্বরে মানববন্ধন ও পরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, গতকাল পুলিশ সুপার আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন, ১২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আমরা কোনো তথ্য পাইনি। তারা আরো বলেন, যদি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তার মা নিজ বাসায় নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশাসন সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এদিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তদন্ত চলছে খুব শিগগিরই বিস্তারিত জানানো হবে
পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
দেখুন: নরসিংদী কারাগারে কয়েদির মৃ/ত্যু, স্বজনদের ক্ষোভ!
ইম/


