পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশির নামে লুটপাট, হয়রানি ও নিরীহ গ্রামবাসীকে আটকের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এসব ঘটনা বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি উষাতন চাকমা এ ঘটনার ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে এ ধরনের তল্লাশি বন্ধের দাবি জানান।
তিনি বলেন, নির্বিচারে বাড়িঘরে তল্লাশি চালানোকে বাংলাদেশ সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের উলঙ্গ লঙ্ঘন। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিজ বাড়িতে শান্তিতে বসবাস করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আজ ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি জেলার নানিয়াচর উপজেলাধীন ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের কেরেটছড়ি, দীঘলছড়ি, দাজ্যাছড়ি, পুনর্বাসন, গড়াহাবা, হাতিমারা, মাইসছড়ি ও নুওআদামসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ঘরে ঘরে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে বেশ কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একজনকে বাদে বাকিদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিপূর্বে গত ২০ আগস্ট খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলাধীন বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়ায় কামদেব চাকমার বাড়িতে তল্লাশির নামে ১১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান ডক্যুমেন্ট ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়। এছাড়া খাগড়াছড়ি, পানছড়ি, গুইমারা, দীঘিনালা ও লংগদুসহ আরও অনেক এলাকায় পাহাড়িদের বাড়িঘরে জোরজবরদস্তি করে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা এ ধরণের তল্লাশীর ঘটনা বন্ধ করা না হলে বিক্ষুদ্ধ জনগণ কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে হুঁশিয়ারি দেন।
পড়ুন: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি ফয়সাল আমীন, সম্পাদক পয়গাম আলী
দেখুন: দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রপ্তানি হচ্ছে নরসিংদীর লটকন
ইম/


