আগামী ১ নভেম্বর চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিলেও, নির্বাচন কমিশনের আরোপিত কঠোর শর্তে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে অন্তরায় হিসেবে দেখছেন। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সিআইবি রিপোর্ট, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক পরিশোধের মূল সনদপত্র, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য নথিপত্র জমা দিতে হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অভিযোগ, এত স্বল্প সময়ের মধ্যে এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।
চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের একটি বড় অংশ এই ধরনের শর্তকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, এই শর্তগুলো প্রার্থিতার পথে বড় বাধা এবং নির্বাচনকে কম অংশগ্রহণমূলক করার একটি কৌশল।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, “এই ধরনের কঠিন শর্ত প্রার্থীর জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। আমরা চাই, নির্বাচন কমিশন সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করুক।”
বারবিডার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানও এই শর্তের বিরোধিতা করে বলেন, “নির্বাচনকে স্বচ্ছ করতে আরও সহজ উপায় অবলম্বন করা যেত। এই শর্তগুলো অনেক যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে।”
তবে চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন কমিশনার মনোয়ারা বেগম বলেন, “নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্যই আমরা এই ধরনের নিয়ম করেছি। যেসব প্রার্থীর কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা ফৌজদারি রেকর্ড নেই, তাদের জন্য এই শর্ত পূরণ করা কোনো সমস্যা হবে না।”
এদিকে, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের একটি বড় অংশ আশা করে, নির্বাচন কমিশন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে কঠিন শর্তগুলো পুনর্বিবেচনা করবে।
পড়ুন:গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে সিগারেট খাচ্ছিলেন শ্রমিক, বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০
দেখুন: ঝিনাইদহে শিশু ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগে একজন আটক
ইম/


