বিজ্ঞাপন

লন্ডন সফরে প্রচণ্ড বিক্ষোভের মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরকালে লন্ডনে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এ সময় তারা ইসরাইলের প্রতি মার্কিন সমর্থন বন্ধের আহ্বান জানান।

দুইদিনের সফরে গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সস্ত্রীক যুক্তরাজ্য পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটিতে এটি তার দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফর। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজকীয় আড়ম্বরের মধ্যদিয়ে উইন্ডসর ক্যাসেলে তাকে স্বাগত জানান রাজা তৃতীয় চার্লস, রানি ক্যামিলা, উইলিয়ামস ও কেট দম্পতি।

ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাজকীয় বাহনে করে প্রদক্ষিণ করেন প্রাসাদ প্রাঙ্গন। রাজকীয় লাল গালিচা সংবর্ধনার পাশাপাশি দেয়া হয় গার্ড অব অনার। সামরিক কুচকাওয়াজ ও যুদ্ধবিমানের ফ্লাই পাস্টের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয় ট্রাম্প দম্পতিকে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সফর ঘিরে রাজকীয় আয়োজনের মধ্যেই লন্ডনে শুরু হয় ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ। এ সময় রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। প্ল্যাকার্ড আর ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে আন্দোলনকারীদের স্লোগানে প্রকম্পিত হতে থাকে চারপাশ। গাজা যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া একজন বলছিলেন, ‘তার উচিত নিজ দেশের প্রতি মনোযোগ দেয়া এবং অন্যদেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। বিশেষ করে গাজাইস্যু নিয়ে। তার ইসরাইলের প্রতি সমর্থন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা উচিত।’

ওই বিক্ষোভকারী আরও বলেন, ‘এ দেশের অধিকাংশ মানুষ গাজা হত্যাযজ্ঞের অবসান চায়। তারা ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয়। আমি বুঝি না, যে আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার আহ্বান করছে, বর্ণবৈষম্য চালাচ্ছে, তাকে কীভাবে এখানে আসার অনুমতি দেয়া হচ্ছে।’

এরপর ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও রানী ক্যামিলার সঙ্গে উইন্ডসর ক্যাসেলের রাজকীয় সংগ্রহশালা ঘুরে দেখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী। যান সেন্ট জর্জ চ্যাপেলেও। উইন্ডসর ক্যাসেলে রাজকীয় ভোজে অংশ নেন তারা।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পৌঁছানোর আগ মুহূর্তে উইন্ডসর ক্যাসেলের দেয়ালে ভেসে ওঠে ট্রাম্প ও যৌন অপরাধে দণ্ডিত প্রয়াত জেফরি এপস্টেইন ও ব্রিটিশ যুবরাজ অ্যান্ড্রুর ছবি। এ ঘটনায় অন্তত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা, প্রাণ হারালেন তিন পুলিশ কর্মকর্তা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন