১৪/০১/২০২৬, ২১:৫২ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২১:৫২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়োগ বঞ্চিত প্রথম স্থান প্রাপ্ত জিয়াউল হক

বাংলাদেশে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন প্রায়শই উপেক্ষিত হয়। তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ কক্সবাজারের সংগীতশিল্পী মোহাম্মদ জিয়াউল হক। ২০০৬ সালে সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেও তিনি আজো প্রাপ্য চাকরিটি পাননি। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সরকারি দপ্তরে ধর্না দিয়েও সুবিচার মেলেনি তার।

২০০৬ সালের ১৪ নভেম্বর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য ঢাকার বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবী শিল্পী জিয়াউল হক। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে যোগ্যতার পরও তাকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সে সময় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ড. আবু জাফর হানাফি ছিলেন নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব। একই পরীক্ষায় অংশ নেন তার স্ত্রী হিমানী চাকমা (বর্তমানে হেলেনা আফরোজ)। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। প্রকৃত মেধাবী প্রার্থী জিয়াউল হক তাই চাকরি হারিয়ে আজও ক্ষোভ ও হতাশা বুকে নিয়ে বেঁচে আছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজার কেন্দ্রের নিয়মিত সংগীত শিল্পী হিসেবে কর্মরত জিয়াউল হক বলেন—
“যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পাওয়া এক ধরনের অমানবিকতা। সংস্কৃতি কর্মীরা সবসময় অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হন। দুর্নীতি আজ আমাদের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।”

তিনি আশা করেন, একদিন হয়তো ন্যায়বিচার মিলবে এবং তিনি প্রাপ্য পদে নিয়োগ পাবেন। সেই প্রত্যাশায় প্রধান উপদেষ্টা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : অক্টোবরের মধ্যেই কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হতে পারে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন