চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-ফেজ বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে চোরেরা মোবাইল নম্বর রেখে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নম্বরে যোগাযোগ করলে চোররা মুক্তিপণ দাবি করছে এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠালে অনেক ক্ষেত্রে চুরি হওয়া মিটার ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
গত কয়েক রাতের মধ্যে হাতিকাটা, আলুকদিয়া ও ভালাইপুর এলাকায় প্রায় অর্ধশত মিটার চুরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, চুরি হওয়া মিটার ফেরত পেতে ৪ থেকে ১২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মিটার ফেরত পাওয়া যাচ্ছে না।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, “এক রাতেই ২৩টি মিটার চুরি হয়েছে। চোরের হয়রানিতে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।” এছাড়া তারা বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের তৎপরতার অভাবও উল্লেখ করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, চুরি হওয়া মিটারগুলো ব্যবহারযোগ্য নয়, কারণ এগুলো সিল করা থাকে। চোরেরা সিল ভাঙতে পারলেও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মুক্তিপণ আদায় করছে।
চুয়াডাঙ্গা সিআইসি পরিদর্শক মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা জানান, পুলিশের একাধিক টিম মিটার চুরিতে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করছে এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের চুরি মেহেরপুরের বারাদি, আমঝুপি ও চাঁদবিল এলাকায়ও ঘটছে।
পড়ুন: চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে পতাকা বৈঠকে ২২ বাংলাদেশি নাগরিক হস্তান্তর
এস/


