চুয়াডাঙ্গার বুক চিরে বয়ে চলা মাথাভাঙ্গা নদীকে দখল দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে দাবি তুলেছেন বসুন্ধরা শুভ সংঘ। এই দাবিতে শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের শহীদ হাসান চত্বর এলাকার পুরাতন মাথাভাঙ্গা ব্রিজের ওপর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বসুন্ধরা শুভ সংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সদস্যরা। এসময় তারা নদী দখল ও দূষণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান।
বসুন্ধরা শুভ সংঘের আয়োজনে এ মানববন্ধনে অংশ নেন মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য এবং বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বসুন্ধরা শুভ সংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাধারন সম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী ও উদীচী চুয়াডাঙ্গার সভাপতি হাবিবি জহির রায়হান।
এসময় মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান আলী বলেন, এক সময় এই মাথাভাঙ্গী নদীতে চলতো লঞ্চ-স্টিমার। এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল গোটা জনপদ। অথচ চুয়াডাঙ্গার সেই অস্তিত্ব আজ বিপন্নের পথে। যে যেভাবে পারছে মাথাভাঙ্গা নদী দখল করছে, দূষণে মেতেছে। এখন নদীর ভরা মৌসুম চলছে। তবুও আগের সেই চেহারা দেখা যায় না। দূষণে নদী তার নাব্যতা হারাচ্ছে।
উদীচী চুয়াডাঙ্গার সভাপতি হাবিবি জহির রায়হান বলেন, শহরের বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা তো বটেই নিচের বাজারের মাছ-মাংস ও সবজি বাজারের বর্জ্যও এই নদীতে ফেলা হয়। এটি যেন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। অথচ মাথাভাঙ্গা নদী নিয়ে কারও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। দখল ও দূষণের হাত থেকে নদীকে বাঁচাতে প্রশাসনের আরও সোচ্চার হতে হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বসুন্ধরা শুভ সংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি জিসান আহমেদ, সহ-সভাপতি মুন্সি আবু সাইফ, অর্থ সম্পাদক পলাশ কুমার সাহা, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক শামসুজ্জোহা রানা, দপ্তর সম্পাদক শেখ লিটন, ক্রীড়া সম্পাদক সালমান ফার্সি, সমাজ কল্যান সম্পাদন সাইফুল্লাহ আল সাদিক, কার্যকারী সদস্য মিকাইল হোসেন, রাসেল আলী, সামিউল ইসলাম এবং নাফিস আহমেদ। এছাড়া বসুন্ধরা শুভ সংঘরে সেলাই প্রশিক্ষক লিজা হুসাইনের নেতৃত্বে অংশ নেন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় মিটার চুরি করে মোবাইল নম্বর দিচ্ছে চোর, টাকা পাঠালেই ফেরত
দেখুন: নারী উদ্যোগে এগিয়ে যাচ্ছে নেত্রকোণার গ্রামীন সমাজ
ইম/


