বর্ষাকাল মানেই একটানা বৃষ্টি। এই সময়ে শুধু বাইরে বের হওয়ার ঝামেলাই নয়, ভিজে যেতে পারে হাতে থাকা স্মার্টফোনও। ওয়াটারপ্রুফ না হলে স্মার্টফোন আংশিক কিংবা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে ফোনের সার্কিট নষ্ট হয়ে যাওয়া, ডিসপ্লে অকেজো হয়ে পড়া কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারানোর ঝুঁকি থাকে। তবে কিছু সহজ উপায় মেনে চললেই বৃষ্টির ক্ষতি থেকে ফোনকে রক্ষা করা সম্ভব।
বৃষ্টিতে মোবাইল রক্ষার উপায়:
.বাজারে পাওয়া যায় ওয়াটারপ্রুফ কভার বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক পাউচ, যা ফোনকে বৃষ্টির পানি থেকে সুরক্ষা দেয়।
.জরুরি অবস্থায় জিপলক ব্যাগ ব্যবহার করলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ফোন ভিজবে না।
.নতুন প্রজন্মের অনেক স্মার্টফোনেই এখন রয়েছে IP67 বা IP68 রেটিং, যা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানির চাপ সহ্য করতে সক্ষম।
.ফোনকে বাইরের পকেটের পরিবর্তে ভেতরের পকেট বা ব্যাগে রাখা উচিত।
.ছাতার ব্যবহার শুধু আপনাকেই নয়, আপনার স্মার্টফোনকেও সুরক্ষিত রাখে।
.অপ্রয়োজনীয় সময়ে ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে রাস্তায় হাঁটার সময় ছবি তোলা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
.ভেজা হাতে বা ভেজা চার্জিং পোর্টে ফোন চার্জে দেবেন না। এতে শর্ট সার্কিট বা বৈদ্যুতিক শকের ঝুঁকি থাকে।
.প্রয়োজনে পলিব্যাগ, সিলিকা জেল কিংবা বিশেষ পাউচ সঙ্গে রাখতে পারেন।
.ডেটা নিরাপত্তার জন্য তথ্য ক্লাউড স্টোরেজে সংরক্ষণ করুন। আর বৃষ্টির সময় কথা বলার জন্য ব্যবহার করতে পারেন ব্লুটুথ ইয়ারফোন।
.আর্দ্র আবহাওয়ায় ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। এজন্য ব্যাটারি সেভার মোড চালু রাখুন।
যা ভুলেও করবেন না:
.ভেজা হাতে ফোন ব্যবহার করবেন না।
.ফোন ভিজে গেলে চুলার পাশে বা হিটারে শুকাতে দিবেন না।
.ভিজে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে শুকনো কাপড়ে মুছে ফেলুন এবং প্রয়োজনে চাল বা সিলিকা জেলে ২৪–৪৮ ঘণ্টা রাখুন।
.হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে শুকানোর চেষ্টা করবেন না।
.দ্রুত সম্ভব হলে সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে সামান্য অসতর্কতাও স্মার্টফোনের স্থায়ী ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই সচেতন ব্যবহারকারীরাই সহজ কিছু অভ্যাস গড়ে তুলে তাদের প্রিয় ডিভাইস ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নিরাপদ রাখতে পারবেন।
পড়ুন: ৮ দিন বিঘ্নিত হতে পারে বাংলাদেশ স্যাটেলাইটের সেবা
দেখুন: রাজনৈতিক দলগুলোর যত সংলাপ |
ইম/


