গাইবান্ধায় এক নারী উদ্যোক্তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ধর্ষন মামলার অভিযুক্ত আসামী আব্দুল আজিজ খোকনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ খোকন গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার উত্তর উল্লা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে৷ বিষয়টি আজ বৃস্হপতিবার রাতে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম নিশ্চিত করছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ খোকন বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘ চার বছর উক্ত মেয়েটিকে ধর্ষন করে। পরে সেই মেয়ের অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর একটি মামলা হয়। এদিকে উক্ত মামলা তুলে নিতে আসামী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাদীকে বিভিন্ন সময় হুমকি অব্যাহত রাখেন।
এক পর্যায়ে ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ খোকন ঐ ধর্ষিতা মেয়েকে বিয়ে করবে বলে তার বাসায় আসতে বলে। ভিকটিম তার কথা মতো গাইবান্ধার সাঘাটা উল্লা বাজারে আব্দুল আজিজ খোকনের ঔষধের দোকানে উপস্থিত হন। এসময় ধর্ষক আব্দুল আজিজ খোকন ও তার সহযোগীরা ভিকটিমকে বেধড়ক মারধর করে মাথার চুল কেটে দেন বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।
এব্যাপারে ভিকটিম আজ রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। ভিকটিম সুমাইয়া সম্পা বলেন,আব্দুল আজিজ খোকন আমাকে দীর্ঘদিন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর সে আপত্তিকর কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। পরে আমি থানায় মামলা করলে সে আমার প্রতি ক্ষীপ্ত হয়। আমাকে আবার কৌশলে ডেকে এনে খোকনসহ তার লোকজন চুল কেটে দেয়। এব্যাপারে আমি সাঘাটা থানায় এজাহার দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ খোকনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে আছেন বলে পাড়া প্রতিবেশীরা জানান।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

