মাদারীপুর কালকিনি উপজেলা আলিনগর ইউনিয়ন ১২ নম্বর ও বালাকান্দী এলাকায় প্রতিমাকে সাজিয়েছেন কারিগররা। মান ভালো হওয়ায় বেড়েছে উৎসবের আমেজ ।
কিন্তু এই এলাকাটি নদীবেস্টিক ও চড় এলাকা হওয়ায়। কিন্তু আনন্দের দিন কাটতে হয় ভাঙ্গনের কবলে। প্রতিবছরের ন্যায় পূজা উৎসবের আমেজ একে অপরের ভাগ করে নিলেও পূজা ঘরের যে অবস্থা সেখানে আনন্দ করতে গেলেও বৃষ্টির পানিতে আঁকা মন্ডপগুলো ভিজে যায়। তাদের একটাই দাবি বৃত্তশালী ও সরকার তাদের এই পূজার ঘরটি যদি মেরামত করে দেয় তাহলে তাদের অনেক উপকার হবে। এমনকি তারা সঠিকভাবে পূজাও করতে পারবে সেখানে।
এদিকে মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। কারিগরদের হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় শেষ মুহূর্তে দেবী দুর্গাকে সাজিয়েছেন প্রতিমা শিল্পীরা। মণ্ডপে মণ্ডপে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। আর পূজার সার্বিক নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা।
রঙ তুলির আঁচড়ে বর্ণিল হয়ে উঠছে দুর্গার রূপ। দেবী দুর্গার সঙ্গে তৈরি হচ্ছে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমাও।
স্থানীয় দীপা রানী বলেন, প্রতিবছর নয় আমরা এই অঞ্চলে ভালোভাবে পূজা করতে পারি। আমরা অনেক আনন্দ করি। নদীভাঙ্গা লোক হয়ে আমরা যে আনন্দ করে তা কেউ করতে পারে না।
চৈতি মন্ডল বলেন, আমাদের যে কয়েকটি অনুষ্ঠান আছে তার মধ্যে সবচাইতে বড় অনুষ্ঠান হল এটা সকলে মিলে করি অনেক ভালো লাগে।
আলীনগর ইউনিয়ন ১২ নম্বর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সনজিৎ মন্ডল বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় আমরা এই পূজার আয়োজন করেছি সরকার থেকে কিছু সাহায্য করেছে। বাকি টাকা আমরা এলাকার সবাই মিলে এই আয়োজন করে থাকি। অনেক আনন্দ করি ভালো লাগে। এছাড়া আমাদের এই পূজা অনুষ্ঠান সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রশাসন থেকে লোক পাঠিয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলের লোক অনেক ভালো। আমাদের পূজা করার ক্ষেত্রে কখনো তারা বাধা দেয় না। সময় তারা আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন যে আমরা এরইমধ্যে পূজার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা যেন প্রদান করতে পারি সেজন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। পূজা মণ্ডপের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সঙ্গে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বসেছি, তাদের মতামত নিয়েছি।’
পড়ুন: মাদারীপুরে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
এস/


