বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. সামিউল হক ফারুকী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইসলামপুর পৌর শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
বুধবার বিকেলে তিনি পৌর শহরের কৈপতপাড়া, পোদ্দারপাড়া, গোবিন্দবাড়ি, সেনবাড়ি ও হরিসভা মন্দিরে পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি পূজা আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ধর্মীয় উৎসব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য শুভকামনা জানান।
ড. সামিউল হক ফারুকীর সঙ্গে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর জনাব রাশেদুজ্জামান, উপজেলা সেক্রেটারি মো. আবু মুছা, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহমান ওমর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ইসলামপুর উপজেলার সভাপতি মো. উজ্জ্বল মিয়া, যুব বিভাগের উপজেলা সেক্রেটারি ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মো. মনির হোসেনসহ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
জামায়াতের একজন কেন্দ্রীয় নেতার এমন উপস্থিতি অনেকের কাছে দলটির রাজনৈতিক কৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেও মনে হচ্ছে। যেখানে অতীতে ধর্মীয় রক্ষণশীলতার কারণে জামায়াতে ইসলামী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উৎসবে সরাসরি অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকত, সেখানে এ ধরনের কার্যক্রম কিছুটা ব্যতিক্রমী ও আলোচনা-উদ্দীপক।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকেই ড. ফারুকীর এই সফরকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। কৈপতপাড়ার এক পূজা আয়োজক বলেন, “তিনি আমাদের এখানে এসেছেন, খোঁজ নিয়েছেন, এটাও একটা সৌহার্দ্যের দৃষ্টান্ত। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দলই এই মনোভাব রাখুক।
ড. সামিউল হক ফারুকীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শুধু শুভেচ্ছা জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে। ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে নতুন একটি ভাবনার উদয় ঘটছে কি না, সেই প্রশ্ন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হচ্ছে।
পড়ুন :জামালপুরে ৭০ পরিবার পেল টিউবওয়েল, নিরাপদ পানিতে মিলছে স্বস্তি


